bajilive online-এ নিয়মিত বেটিং করলে আপনি আপনাআপনিই ভিআইপি স্তরে উন্নীত হবেন। বেশি বেটিং মানে বেশি পয়েন্ট, আর বেশি পয়েন্ট মানে আরও বড় সুবিধা।
bajilive online-এ যারা নিয়মিত বেটিং করেন, তাদের জন্যই মূলত ভিআইপি প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়েছে। এটা কোনো আলাদা আবেদনের বিষয় না – আপনি যত বেশি বেট করবেন, তত বেশি পয়েন্ট জমা হবে এবং আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ওপরের স্তরে চলে যাবেন।
ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে ডায়মন্ড – মোট পাঁচটি স্তর আছে। প্রতিটি স্তরে সুবিধা ক্রমশ বাড়তে থাকে। শুধু বোনাস না, উইথড্রয়ালের সময় কমে আসে, ডেডিকেটেড সাপোর্ট পাওয়া যায় এবং বিশেষ ইভেন্টে আমন্ত্রণ পাওয়ার সুযোগও থাকে।
অনেকেই মনে করেন ভিআইপি মানে শুধু ধনীদের জন্য। bajilive online-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম সেই ধারণা পাল্টে দেয়। এখানে ছোট বাজেটের খেলোয়াড়রাও ব্রোঞ্জ স্তরে থেকে বেশ কিছু সুবিধা পান। নিয়মিত খেলতে থাকলে একদিন প্লাটিনাম বা ডায়মন্ডে পৌঁছানো অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।
bajilive online বিশ্বাস করে, একজন বিশ্বস্ত সদস্যকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা উচিত। তাই ভিআইপি প্রোগ্রামটি সেই মানসিকতা থেকেই ডিজাইন করা হয়েছে – যাতে প্রতিটি নিয়মিত সদস্য অনুভব করেন যে তার প্রতিটি বেট গণনা করা হচ্ছে।
পাঁচটি আলাদা স্তরে ভাগ করা হয়েছে – প্রতিটিতে রয়েছে আলাদা সুবিধা ও পুরস্কার।
bajilive online-এ পয়েন্ট জমানো একদম সহজ। আপনি প্রতিবার যখন বেট করেন, সেই বেটের পরিমাণ অনুযায়ী আপনার অ্যাকাউন্টে পয়েন্ট যোগ হতে থাকে। বেটের ধরন ও পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে পয়েন্টের হার সামান্য ভিন্ন হতে পারে।
পয়েন্ট প্রতিদিন আপডেট হয় এবং আপনার ড্যাশবোর্ড থেকে রিয়েল-টাইমে দেখা যাবে। বোনাস দিয়ে করা বেট থেকে পয়েন্ট পাওয়া যায় না।
সাধারণ সদস্যদের তুলনায় ভিআইপি সদস্যরা যে বিশেষ সুবিধাগুলো পান তার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র।
ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দেওয়া একদম ঝামেলামুক্ত। আলাদা কোনো আবেদন করতে হয় না, কোনো ফি নেই। শুধু নিবন্ধন করুন এবং নিয়মিত বেটিং শুরু করুন – বাকিটা bajilive online নিজেই সামলে নেবে।
নিচের প্রতিটি স্তরে পৌঁছাতে কতটা পয়েন্ট দরকার তা এক নজরে দেখুন।
ঢাকার রাস্তায় বসে মোবাইলে বেট করা – এই সুবিধাটাই bajilive online-কে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কাছে এত জনপ্রিয় করে তুলেছে। আর যারা নিয়মিত খেলেন, তারা ভিআইপি প্রোগ্রামের সুবিধাগুলো নিজেই টের পাচ্ছেন।
অনেক গোল্ড ও প্লাটিনাম সদস্য বলেন, ডেডিকেটেড ম্যানেজার থাকার সুবিধাটা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। কোনো সমস্যায় পড়লে আলাদাভাবে লাইনে দাঁড়াতে হয় না – সরাসরি ম্যানেজারকে জানালেই কাজ হয়ে যায়।
উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রেও ভিআইপি সদস্যরা পার্থক্যটা স্পষ্ট বুঝতে পারেন। সাধারণ সদস্যরা যেখানে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেন, সেখানে গোল্ড বা তার ওপরের স্তরের সদস্যদের টাকা অনেক দ্রুত আসে।
ক্রিকেট সিজনে bajilive online বিশেষ ভিআইপি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে, যেখানে শুধু ভিআইপি সদস্যরাই অংশ নিতে পারেন। এই টুর্নামেন্টগুলোতে পুরস্কারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হওয়ায় নিয়মিত খেলোয়াড়রা এগুলোর অপেক্ষায় থাকেন।
নতুন সদস্যদের মনে যেসব প্রশ্ন সাধারণত আসে, সেগুলোর উত্তর এখানে দেওয়া হলো।